এশিয়া কাপ বয়কট করলে পাকিস্তান অপূরণীয় ক্ষতির মুখোমুখি হতো দাবি করে সাবেক এই পিসিবি প্রধান ‘সামা টিভি’কে বলেন, ‘তারা সিদ্ধান্ত প্রায় নিয়েই ফেলেছিল। তাদের মনোভাব ছিল এমন– “জনগণের চাপের মুখে চলো বয়কট করে ফেলি। এশিয়া কাপ জাহান্নামে যাক, আইসিসি জাহান্নামে যাক।” কিন্তু আমার কথা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আপনাকে সবসময় বৈধ সীমানার মধ্যে থেকে প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে।’ এমন যুক্তি থেকেই পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভিকে সমর্থন দেননি বলে জানান নাজাম শেঠি, ‘যখন এ নিয়ে এক বন্ধুকে কল দিই, সে আমাকে বলেছিল “সেখানে যেও না, সমর্থন দিও না তাকে।” আমিও মহসিন নাকভিকে সমর্থন দিইনি। আমি গিয়েছিলাম পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে বাঁচাতে।’তিনি আরও বলেন, ‘যদি তার (নাকভির বয়কট) প্রচেষ্টা সফল হয়ে যেত, পাকিস্তান অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়ত। আমরা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলে (এসিসি) নিষিদ্ধ হতাম। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলও (আইসিসি) শাস্তি দিতো। বিদেশি ক্রিকেটাররা পিএসএল বয়কট করার সম্ভাবনা ছিল এবং আমরা এসিসি থেকে ১৫ মিলিয়ন ডলার সম্প্রচার সত্ত্ব হারানোর দ্বারপ্রান্তে চলে যাই। সবমিলিয়ে পিসিবির অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়তো।’পিসিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পাকিস্তানের সঙ্গে আরব আমিরাত ম্যাচের দায়িত্ব থেকে পাইক্রফটকে যেন সরিয়ে দেওয়া হয়। নইলে তারা এশিয়া কাপ বয়কট করবে। পরে উভয়পক্ষ আলোচনায় বসে এবং ম্যাচ শুরু হয় এক ঘণ্টা দেরিতে। পরে পিসিবি দাবি করে– ‘সৃষ্ট ভুল বোঝাবুঝির কারণে ক্ষমা চেয়েছেন ম্যাচ রেফারি পাইক্রফট।’ যার প্রমাণ হিসেবে অধিনায়ক সালমান আলি আগা, পিসিবি সভাপতি ও কোচদের সঙ্গে রেফারির একটি কথোপকথনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। যদিও সেটির আওয়াজ বন্ধ ছিল! পরবর্তীতে তাদের ভিডিও প্রকাশ কোড অব কন্ডাক্ট লঙ্ঘন বলে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেয় আইসিসি।
আল-আমিন সাঈফী