জেলার ৪২টি ইউনিয়নের ১২৮টি ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ৬৬টি টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলার অস্থায়ী কেন্দ্র ১ হাজার ২৪টি, পৌরসভার কেন্দ্র ৩৬টি এবং স্থায়ী কেন্দ্র ৬টি।কর্মসূচির শুরুতে টাইফয়েড রোগের ভয়াবহতা ও টিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. সোহেল শেখ।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ। উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী আব্দুল কুদ্দুস বাবু, সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম হিরন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রতিনিধি ডা. এরফান আহমেদ এবং জেলা ইপিআই সুপারিন্টেনডেন্ট মুহাম্মদ কামাল হোসেন।সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ বলেন, টাইফয়েড একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এই টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ ও পরীক্ষিত, এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শিশুরা যেন এই টিকা গ্রহণ থেকে বাদ না পড়ে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। সরকার এই ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সরবরাহ করছে।
সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোকারেমা মানজুরা। এ সময় জেলায় কর্মরত ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
আল-আমিন সাঈফী