ঢাকা | বঙ্গাব্দ

‘বাণিজ্যিক' নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সাফল্যের জন্য যা করণীয়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 10, 2026 ইং
পোশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, একটি মাঝারি আকারের কারখানা রুফটপ সোলারের মাধ্যমেই তার মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পূরণ করতে পারে৷ তবে কারখানার বাইরে উৎপাদিত বিদ্যুতে মোট চাহিদার ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ বা তার বেশি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব৷ ছবির ক্যাপশন: পোশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, একটি মাঝারি আকারের কারখানা রুফটপ সোলারের মাধ্যমেই তার মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পূরণ করতে পারে৷ তবে কারখানার বাইরে উৎপাদিত বিদ্যুতে মোট চাহিদার ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ বা তার বেশি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব৷
ad728

তাই দূরবর্তী প্ল্যান্ট থেকে নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কেনার মতো বিকল্প খুঁজছে তারা৷

গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সাল থেকে বাংলাদেশে বেসরকারি সংস্থাগুলোকে বড় গ্রাহকদের কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে৷ ফলে বাণিজ্যকভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় গ্রিডে৷ ব্যবহারকারীরা গ্রিড ও বিতরণ সংস্থাকে অর্থ পরিশোধ করেন৷

বাংলাদেশ মাত্র গত বছর থেকে শুরু করলেও ভারত দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি সংস্থাগুলোর কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের অনুমতি দিয়ে আসছে৷ তবে ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান প্রতিযোগিতামূলক দ্বিপাক্ষিক বাজার তৈরির দিকে এগোচ্ছে৷

এদিকে বাংলাদেশের জ্বালানি নিয়ন্ত্রক কমিশন তাদের নিজস্ব উন্মুক্ত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মূল খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে৷ গ্রিড ব্যবহারের জন্য গ্রাহকদের প্রদেয় চার্জের বিষয়টিও রয়েছে সেখানে৷

জ্বালানি বিশ্লেষকরা বলেছেন, উন্মুক্ত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির কার্যকারিতা নির্ভর করে খানিকটা উন্মুক্ত গ্রিড চার্জ এবং অতিরিক্ত সারচার্জের ওপর৷ এটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, পরিবার এবং কৃষকদের স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করেন তারা৷

গ্রিড চার্জ এবং নিয়ম-কানুন চূড়ান্ত হয়ে গেলে, গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে এমন তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের মতো কর্পোরেট ক্রেতারা প্রত্যন্ত সৌর বা বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরাসরি নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ক্রয় করবে৷

পোশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, একটি মাঝারি আকারের কারখানা রুফটপ সোলারের মাধ্যমেই তার মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পূরণ করতে পারে৷ তবে কারখানার বাইরে উৎপাদিত বিদ্যুতে মোট চাহিদার ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ বা তার বেশি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব৷

নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে কোম্পানিগুলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি সার্টিফিকেট বা আরইসি কিনতে পারে৷ তবে পোশাক সরবরাহকারীদের অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে এই সার্টিফিকেট পর্যাপ্ত সরবরাহ করার মতো আরইসি বাজারের অভাব রয়েছে৷

পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ডিবিএল গ্রুপের সাসটেইনেবিলিটি ম্যানেজার মাশুক মুজিব বলেন, ‘‘বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আমাদের সরাসরি বিদ্যুৎ ক্রয় করার সুযোগ করে দেবে৷ এর ফলে বাজার থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সনদ কেনার প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পাবে৷''



নিউজটি আপডেট করেছেন : হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

কমেন্ট বক্স