ঢাকা | বঙ্গাব্দ

গান গেয়ে ফেসবুক তোলপাড় করে দিয়েছেন ঢাবি অধ্যাপক

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : May 11, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:
ad728

গান গেয়ে সামাজিক মাধ্যম রীতিমতো তোলপাড় করে দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক। তাশরিক হাবিব নামের বাংলা বিভাগের এই অধ্যাপকের গাওয়া গান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে রীতিমতো চর্চা। কখনো রবীন্দ্র সংগীত গাইছেন তো কখনো গাইছেন জেমসের গান। এমন অজস্র গাওয়া গানের ভিডিও রয়েছে তাশরিক হাবিবের ফেসবুকে। এসব ভিডিও এখন এক এক করে ছড়িয়ে পড়ছে অনলাইন দুনিয়ায়।

ফলে দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে তিনি লাইভে আসছেন, মানুষের কথা শুনছেন; অনেকেই নতুন নতুন গানের আবদার জানাচ্ছেন তাকে। কেউ বলছেন টাইটানিকের গান গাইতে, কেউ গাইতে বলছেন ব্রিটনি স্পিয়ার্সের গান। কেউ বা করছেন সমালোচনা, কেউ টুক করে একটি গালি লিখে দিয়েও চলে যাচ্ছেন।

তবে এসব নিয়ে এই অধ্যাপক মোটেও মাথা ঘামাচ্ছেন না, নিচ্ছেন না আমলে সমালোচনা। বরং তার রয়েছে নিজস্ব ব্যাখ্যা।

এর আগে এক পোস্টে তাশরিক হাবিব বলেছিলেন, ‘৪৪ বছর, জীবনের অনেকটা সময়। অনেকের পক্ষে এ আয়ু কপালে জোটে না। আর আমি কি না এ আয়ু পার করে গান গাইতে চেষ্টা করছি! তা করছি, অস্বীকার করব না। তবে এ গান আমি শুধু মনের খেয়ালে গাই। পাখি যেমন তার ইচ্ছে হলে গায়, তেমন। কাউকে শোনানোর অভিলাষ নেই, কারো আমন্ত্রণ বা অনুরোধ রক্ষার চাপ নেই। নেই কোনো রঙিন স্বপ্নের হাতছানি বা প্রতিষ্ঠিত সংগীতশিল্পী হবার মরীচিকা।’

অধ্যাপকের ভাষ্য, ‘গান গাওয়ার বেলায় আমি শুধু আমার মনের অধীন। এখানে নেই জোর জবরদস্তি বা পিছুটান। মন কী বলে, আমি সেই ইশারা টের পাই। মন বলে, তুমি এ গানটি করে দেখো, ভালো লাগে কি না। আমি বলি, এটা! আচ্ছা! কিংবা তাতে হয়তো সায় না দিয়ে অন্য গান গাইতে চেষ্টা করি। নিজের ভাবনা এখানে বিরতি নিক। আমি ভাবি, ভাঙা গলায় খোলা গলায় বাদ্যযন্ত্র ছাড়া সুর তাল লয়হীন খাপছাড়া গানের প্রতি আগ্রহী হচ্ছে কেন তরুণ প্রজন্ম! তারা নিজেরা কেন গাইছে না?’


তবে তাশরিক হাবিবের এই পুরো ব্যাপারটির পেছনে রয়েছে একটি উদ্দেশ্য, এমনটাই মনে করছেন লেখক সোয়েব সর্বনাম। তিনি বলছেন, ‘আপনারা যারা তারে দেখে হাসাহাসি করতেছেন, আমি কনফার্ম, তেমন আপনাদের দেখেও তাশরিক হাবিব হাসতে হাসতে মরে যাচ্ছে আসলে ভেতরে ভেতরে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলাতে সাধারণত দুই ধরনের ছাত্র বাংলা বিভাগে ভর্তি হয়। বেশিরভাগ ছাত্রই অন্য কোনো বিভাগে চান্স না পেয়ে এখানে আসছে। আরেকটা হচ্ছে প্রচণ্ড মেধাবী কেউ। বাংলা বিভাগের শিক্ষক তাশরিক হাবিব নামের এই ভদ্রলোক একজন জিনিয়াস। ভাইরাল কীভাবে হতে হয় এই লোকটা শিখায়ে দিলেন। জাস্ট ইমাজিন করেন এই লোকটা সোসাইটির কোন ক্লাসটারে নিয়া স্যাটায়ার করতেছেন।’


নিউজটি আপডেট করেছেন : হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

কমেন্ট বক্স