প্রিন্স সালমানের সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু বড় চুক্তি ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অবকাঠামোতে সৌদির বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ, এবং পারমাণবিক শক্তিতে নতুন সহযোগিতার পরিকল্পনা।
জ্যেষ্ঠ এক মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান,রিপাবলিকান প্রশাসন ইসরায়েলের সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব ক্ষুণ্ণ হওয়ার বিষয়ে সতর্ক, বিশেষ করে এমন সময় যখন ট্রাম্প গাজা শান্তি পরিকল্পনায় ইসরায়েলের সমর্থনের ওপর নির্ভর করছেন। তবে, সৌদি আরবের সাথে যুদ্ধবিমানের চুক্তি সেই সম্পর্কে কোন প্রভাব ফেলবে না।'এফ-৩৫' বিক্রি নিয়ে আরেক দীর্ঘস্থায়ী উদ্বেগ হলো—এই প্রযুক্তি চীনের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা। একই কারণে পূর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছেও সম্ভাব্য বিক্রি আটকে গিয়েছিল।
তবে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদি আরব ও চীনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক—যেমন সম্প্রতি যৌথ নৌ-মহড়া—এই শঙ্কা বাড়িয়েছে। এর আগে, ২০২৩ সালে সৌদি আরব ও ইরানের সম্পর্ক পুন:স্থাপনে মধ্যস্থতাও করেছিল চীন।
গত বছর বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে সৌদি আরবের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হয় চীন। তবে, অস্ত্র ক্রয়ে রিয়াদের প্রথম পছন্দ এখনো যুক্তরাষ্ট্রই বলে দাবি করেছেন ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিস-এর সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতা বিষয়ক কেন্দ্রের সিনিয়র ডিরেক্টর ব্র্যাডলি বোম্যান।ব্র্যাডলি বোম্যান বলেন, কংগ্রেস চাইলে হোয়াইট হাউসের কাছে জানতে চাইতে পারে—চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সৌদি আরব কী ধরনের নিশ্চয়তা দিয়েছে।