ভোগান্তিতে গ্রাহকরা
শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ১৫ দিন ধরে তীব্র এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট চলছে। হাটবাজার ও খুচরা দোকানগুলোতে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। কোথাও সীমিত পরিমাণে মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে অতিরিক্ত দামে। হঠাৎ এই সংকটে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। অনেকেই বাধ্য হয়ে কাঠ ও বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার করছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, গ্যাস না থাকায় রান্না নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোম্পানি থেকে নিয়মিত সরবরাহ না পাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে। এদিকে সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাড়তি দামে গ্যাস বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ডিলারদের ফোন দিলে তারা শুধু বলেন, সিলিন্ডার সংকট। যাদের বাসায় বাসায় গ্যাস সরবরাহ করি, তারাও বারবার ফোন দিচ্ছেন। তারাও রান্না করতে পারছেন না।”
খাবারের দোকানগুলোতেও একই চিত্র দেখা গেছে। কোথাও কোথাও মজুদ থাকা সিলিন্ডার দিয়ে কোনোভাবে রান্না চালানো হচ্ছে। আবার অনেক দোকানে কাঠের চুলায় রান্নার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে অনেক দোকান পুরোপুরি বন্ধও রয়েছে।
“গতকাল গ্যাস শেষ হওয়ার পর আজ অর্ডার দিলে ১২ কেজির সিলিন্ডার গ্যাসের দাম চাইছে ১৮০০ টাকা, যেখানে আগে ১৩০০ টাকার বেশি লাগতো না। এত বেশি দামে গ্যাস কিনে ব্যবসা চালানো সম্ভব না।”
এলপিজি গ্যাসের এই সংকট দ্রুত সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ না থাকলে পৌরবাসীর ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা।
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নজরে এসেছে এবং দ্রুত সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে